কথা (English translation below)

এক মেয়ে হিসেবে আমার বেড়ে ওঠা এক রক্ষণশীল পরিবারে। আমার বোন এবং আমি বেশ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশেই বড় হয়েছি। পরিবারের সন্তানদের মধ্যে আমিই সবার থেকে ছোট, কিন্তু ছোট হওয়া সত্তেও মুক্তমনের অধিকারী হওয়ায়, পরিবারের অনেক দ্বন্দ্ব এর কেন্দ্রে হলাম আমি। মাঝে মাঝে আমি চিন্তা করি, পরিবারের সবার চেয়ে আমি এতটা ভিন্ন হলাম কি করে। আমার এই ভিন্নতা আমার বাবা-মায়ের অনেক দুশ্চিন্তারই কারন। আমার বাবা-মা সবসময়য়েই লোকে কিভাবে আমাদের দেখছে, আমাদের সম্পর্কে কি ভাবছে, আমাদের আত্মীয়রা কি বলবে, এবং আরো এমন নানা বিষয় নিয়ে চিন্তিত। যার ফলশ্রুতিতে আমাদের ওপর নান ধরনের বিধি-নিষেধ আরোপ করেছেন তারা। আমরাও বাবা-মায়ের ভয়ে সবসময়য়েই এই সব বিধি-নিষেধের গণ্ডীর মধ্যেই থাকি। একসময় আমি একটি ছেলের প্রেমে পড়লাম, সে ছিল মুসলমান আর আমি খ্রিষ্টিয়ান। আমাদের এই ভালোবাসা জন্ম দিল চরম বিশৃঙ্খলার। এক সময় আমার ভালোবাসার মানুষটি আমাকে সব কিছু ত্যাগ করতে বলল, আমার পরিবার, আমার অতীত এবং এমন সব কিছু যা দিয়ে আমার অস্তিত্ত তৈরি। এমনকি সে আমার ইচ্ছাকে গুরুত্ত না দিয়ে আমাকে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্যও বলল। তার উপর আমার বাবা-মা তাদের অবস্থানে অনড়, যারা কিনা এই সম্পর্ককে লক্ষ বছরেও মেনে নেবেন না। এমন এক পরিস্থিতিতে, আমার মনে হত, প্রতিদিন, প্রতিক্ষণে আমি যেন সাজা ভোগ করছি এক অতল দুর্যোগময় গিরিখাদে আটকা পরে। এই বিষাদময় পরিস্থিতি থেকে নিজেকে বের করে আনতে আমার অনেক সময় লেগেছে। এটা আমি বলতে পারব না যে ঠিক কতখানি আমি নিজেকে বের করে নিয়ে আসতে পেরেছি বা আসলেই পেরেছি কিনা, কিন্তু এখন আমি আগের চেয়ে অপেক্ষাকৃত ভাল অবস্থায় আছি। পৃথিবীর সকল মানুষের ই অধিকার আছে তার পছন্দের মানুষটির সাথে জীবন কাটাবার। জীবনের জরা-জীর্নতা যখন কাউকে গ্রাস করে বা একাকিত্ব ভর করে, তখন পছন্দের মানুষটির কাঁধে মাথা রাখবার। হয়ত সেই পছন্দের মানুষটি অন্য কোন ধর্মের কিন্তু সেও তো মানুষ। হয়ত এমন এক সময় আসবে, যখন জীবনের পিছনের দিনগুলোর দিকে তাকিয়ে আমি চিন্তা করব, যদি সেই দিন আমি পরিবার ত্যগের ঝুঁকি নিতাম, তাহলে আজ আমার জীবন কতটাই না আলাদা হত। অবশ্যই আমাদের জীবনের সুন্দর আর গুরুত্তপূর্ন বিষয়গুলোর ওপর আস্থা হারানো উচিত নয়। জীবনের সকল ঘাত-প্রতিঘাত যা আমাদেরকে লক্ষ অর্জনে বাঁধা দেয়, আমাদের উচিত সে সকল বিষয়ের মুখোমুখি হওয়া এমনকি তাতে প্রচুর সাহসিকতার প্রয়োজন পড়লেও। আমরা ব্যক্তি পর্যায়েই যদি সাহস না করি কোন কিছুকে চ্যালেঞ্জ করার, কোন কিছুকে পরিবর্তন করার, সমাজ কিভাবে পারবে এই কাজগুলো করতে?

I grew up as a pretty open-minded girl in a conservative family. My sister and I have grown up with strict parenting. I’m the younger of the two and me being the open-minded person I am have been the cause of many conflicts within the family. Sometimes I wonder how I turned so differently from my family and this seems to worry my parents to no end! They always speak of how everyone sees us, what they think, what our relatives might say, and all kinds of these considerations, which have resulted in a lot of constraint being put on us kids. And we would always stay in line out of fear for our parents.
Then one day I had fallen in love with a boy, he was Muslim and I am Christian, leading to all sorts of chaos. There was a point where I was told to sacrifice everything by the boy. To leave my family, and everything else behind, just like that, and to also convert out of my faith with absolutely no consideration of my wishes. My parents on top of it all were absolutely adamant, they would not accept this relationship, not in a million years. I found myself thrown between the devil and the deep sea and in this way I continued to suffer, day in, day out.
It took me a long time to pull myself together and out of this rut. I can’t tell how well I’ve pulled myself out though, or even if I have managed to at all. But I’m in a better place now. I feel that people deserve someone to share their lives with. When one gets lonely or weary, to have someone one can rest one’s head against. Maybe that person comes from a different faith. But they are as human. Maybe there will come a time when I will wonder to myself how different my life would have been if I had just taken the risk. Surely we are not meant to give up and lose hope about the important things in life. Surely we must try to challenge the things that retrain us, even when it takes a lot of courage to do that. If we do not dare, to act, to change, how will society?

Leave a Reply